
মতামত
১১২ টি খবর


সাজেক: মেঘের দেশে ঝড়ের আভাস
মেঘের রাজ্য আর শান্ত প্রকৃতির অনন্য আধার রাঙামাটির সাজেক। যে জনপদে পাহাড় আর আকাশের মিতালী দেখতে দূরদূরান্ত থেকে ছুটে আসতেন পর্যটকেরা, সেই অপরূপ ভূমি এখন অস্থিরতা ও উদ্বেগের কালো মেঘে আচ্ছন্ন। সৌন্দর্যের এই স্নিগ্ধ জনপদ আজ ক্ষমতা প্রদর্শন, আধিপত্য বিস্তার ও গোপন স্বার্থসিদ্ধির এক উত্তপ্ত রাজনৈতিক কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। পাহাড়ের চূড়ায় মেঘ জমে, আবার ভেসেও যায়। কিন্তু সাজেকের আকাশ থেকে নিরাপত্তাহীনতার ঘোর কুয়াশা কাটছে না। দিনের পর দিন জমে থাকা রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব, অবৈধ অস্ত্রের ঝনঝনানি, ভূমির মালিকানার বিরোধকে পুঁজি করে চাঁদাবাজি এবং অর্থনৈতিক স্বার্থের সংঘাত সাজেককে ঠেলে দিচ্ছে এক অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে।




চট্টগ্রাম বন্দর: পানি ঘোলা করে খাওয়ার আরেক উদাহরণ
বিরোধী দলের নেতা ডা. শফিকুর রহমান সম্প্রতি বলেছেন, বিএনপি পানি খায় ঠিকই, কিন্তু ঘোলা করে খায়। উক্তিটি যে প্রেক্ষাপটে, যেভাবেই বলা হয়ে থাকুক না কেন, দেশের অর্থনীতির প্রধান চাবিকাঠি চট্টগ্রাম বন্দরের সাম্প্রতিক ঘটনাবলিতে এই কথার প্রায় নিখুঁত ও নগ্ন প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। ক্ষমতার বাইরে থাকতে যে সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তারা সুর চড়িয়ে রাজপথ উত্তপ্ত করেছিল, সার্বভৌমত্ব বিক্রির জিগির তুলেছিল, ক্ষমতায় যাওয়ার পথ সুগম হতেই সেই একই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে তাদের আর কোনো দ্বিধা দেখা যাচ্ছে না।



অপ্রতিম, কিশোর গ্যাং, রাজনীতি ও আমাদের যৌথ ডিমেনশিয়া
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নাহিদা বেগমের একমাত্র সন্তান ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম। হাতে বই কিংবা খেলার ব্যাট থাকার বয়সে, মায়ের আইফোন কেড়ে নেওয়ার চেষ্টার প্রতিবাদ করায় তাকে বাঁশের লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। পরে সেই ফোনও নিয়ে যায় হত্যায় জড়িতরা। পুলিশের তদন্তে আরও উঠে এসেছে, অপ্রতিমের সঙ্গে তার চেয়ে বয়সে বড় কয়েকজন তরুণের যোগাযোগ ছিল এবং টিকটক ভিডিও বানানোর কথা বলেও তাকে বাইরে ডেকে নেওয়া হয়েছিল।

আওয়ামী প্রক্সি হয়েও কেন 'সুরক্ষা বলয়ে' জাতীয় পার্টি?
অদৃশ্য এই 'খুঁটির জোর' কোথায়?

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ, তেল-গ্যাসের পথ বন্ধ হলে বাংলাদেশ কী করবে?
মধ্যপ্রাচ্যের আগুন কতটা পুড়বে বাংলাদেশকে?

ফ্যাসিবাদী অপতৎপরতা, সরকারের ঠুকঠাক ও বিএনপির স্বেচ্ছাঘুম
দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এক ধরনের দমচাপা অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তা কাজ করছে। চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ক্ষমতাচ্যুত ও রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়া দল আওয়ামী লীগ এবং তাদের অঙ্গসংগঠনের তৎপরতা সাম্প্রতিক সময়ে উদ্বেগজনকভাবে বেড়ে গেছে। দলটি কেবল মাঠপর্যায়ে সীমাবদ্ধ নেই, তাদের পলাতক শীর্ষ নেতৃত্ব দেশের বাইরে বসে সরকারবিরোধী ও দেশবিরোধী নানামুখী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। কিন্তু এই অপতৎপরতা রুখতে সরকারের পক্ষ থেকে যে ধরনের কঠোর ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ছিল, সেখানে এক ধরনের ধীরগতি ও উদাসীনতা লক্ষ করা যাচ্ছে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং ফ্যাসিবাদকে চিরতরে প্রতিহত করার ক্ষেত্রে সরকারের এই ঢিলেঢালা ভাব জনমনে বড় ধরনের প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।

আ.লীগের চেয়েও ‘বড় শত্রু’ জুলাইপন্থীরা; মিডিয়ার বয়ানে কীসের খেলা?
আড়ালে আওয়ামী পুনর্বাসন!


মক্কা চুক্তি: এক দেশ আক্রান্ত হলেই কি সবাই যুদ্ধে জড়িয়ে পড়বে?
মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরের পর সবচেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে একটি বিষয় নিয়ে। তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলাকে তিন দেশের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। ফলে অনেকেই মনে করছেন, সৌদি আরব, তুরস্ক বা পাকিস্তানের যেকোনো একটি আক্রান্ত হলেই অন্য দুই দেশকে সরাসরি যুদ্ধে নামতে হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে নানা আলোচনায় বিষয়টিকে অনেকটা এমনভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে, যেন চুক্তি স্বাক্ষরের সঙ্গে সঙ্গে তিন দেশের মধ্যে একটি যৌথ বাহিনী তৈরি হয়েছে এবং এখন থেকে যেকোনো এক দেশের বিরুদ্ধে হামলা হলেই বাকি দুই দেশ যুদ্ধ শুরু করবে। কিন্তু যুদ্ধের বাস্তবতা এত সহজ নয়।



হাসিনার দিন তবে সত্যিই শেষ হলো!
রাজনীতিতে পতনেরও একটি ভাষা আছে। কেউ ক্ষমতা হারান, কেউ দল হারান, কেউ জনসমর্থন হারান। আবার কেউ কেউ এতটাই সবকিছু হারান যে শেষ পর্যন্ত নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়েও কথা বলতে হয় তৃতীয় কোনো দেশের মাটি থেকে। শেখ হাসিনার বর্তমান অবস্থান অনেকটা তেমনই। একসময় বাংলাদেশের রাজনীতিতে যার বিকল্প কল্পনা করাটাই ছিল প্রায় অপরাধের শামিল, আজ সেই শেখ হাসিনাকেই নিজের অনুপস্থিতিতে দলের নেতৃত্ব কে দেবেন, সে প্রশ্নের উত্তর দিতে হচ্ছে। একসময় যিনি বলতেন, আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা থেকে সরানো সহজ নয়, আজ তার নিজের দেশে ফেরাই অনিশ্চিত। একসময় যিনি বিরোধীদের রাজনীতি করার অধিকার নিয়েও প্রশ্ন তুলতেন, আজ তিনি নিজেই অন্য একটি দেশের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভরশীল।




মস্কোয় সিআইএ প্রধানের গোপন সফর: যুদ্ধ থামানোর উদ্যোগ, নাকি বড় সংঘাতের সতর্কবার্তা?
মস্কোয় মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ’র পরিচালক জন র্যাটক্লিফের অঘোষিত সফর আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। সফরটি কি ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে গোপন আলোচনার অংশ, নাকি রাশিয়াকে ন্যাটো সদস্য কোনো দেশের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপ থেকে সতর্ক করার উদ্যোগ—তা এখনো স্পষ্ট নয়।

মক্কা চুক্তি: বাংলাদেশের জন্য সুযোগ, নাকি কূটনৈতিক ঝুঁকি?
মক্কা চুক্তিতে বাংলাদেশকে যোগ দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে _সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ভিডিও প্ল্যাটফর্ম ও বিভিন্ন অনলাইন আলোচনায় গত কয়েক দিনে এমন একটি দাবি বেশ জোরেশোরে ছড়িয়েছে। কোথাও বলা হচ্ছে, বাংলাদেশকে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের ত্রিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা চুক্তিতে নেওয়া হচ্ছে; কোথাও আবার একে বলা হচ্ছে সম্ভাব্য ‘ইসলামিক ন্যাটো’। কিন্তু এই দাবির সঙ্গে বাস্তব কূটনৈতিক তথ্যের মিল কতটা? বাংলাদেশ কি সত্যিই চুক্তিতে যোগ দেওয়ার আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ পেয়েছে, নাকি রাজনৈতিক বক্তব্য, সংবাদমাধ্যমের ব্যাখ্যা ও একটি নামহীন সূত্রের তথ্য মিলিয়ে তৈরি হয়েছে এমন একটি ধারণা?


সংস্কার: নিষেধের দেয়াল ভেঙেই এগিয়েছে ইসলামপন্থীরা
কোনো রাজনৈতিক বা আদর্শিক আন্দোলনই সময়ের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকতে পারে না। সময় বদলায়, সমাজ বদলায়, মানুষের প্রয়োজন বদলায়—সঙ্গে সঙ্গে অনেক সিদ্ধান্ত ও সাংগঠনিক অবস্থানকেও নতুন করে ভাবতে হয়। উপমহাদেশের ইসলামপন্থীদের ইতিহাস ঘাটলে দেখা যায়, তারাও একসময় নানা বিষয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছে, আবার সময়ের ব্যবধানে বাস্তবতার আলোকে সেসব অবস্থান থেকে সরে এসেছে।




গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট: অজুহাতের ছয় মাস, সমাধান কোথায়?
৩৩ হাজার মেগাওয়াট সক্ষমতা, তবু হাহাকার!



নতুন চেয়ারম্যান, নতুন কমিশনার; 'আকাঙ্ক্ষিত' নতুন দুদক কোথায়?
সংস্কারের প্রতিশ্রুতি কি ভুলে গেল সরকার?

ছয় মাসে নতুন সরকারের হিসাব: জুলাইয়ের স্বপ্ন, সাফল্য ও পুরোনো রাজনীতির ছায়া
রাষ্ট্রের চরিত্র কি বদলাচ্ছে, নাকি শুধু ক্ষমতার মালিক বদলেছে?


জামায়াতের বিরুদ্ধে ‘বিদ্রোহ’; সেই অলিই জামায়াতের রাষ্ট্রপতি প্রার্থী!
আদর্শ, অভিমান নাকি ক্ষমতার সমীকরণ?

'ওয়াশিংটনের ছায়া' ছাড়িয়ে সৌদির নতুন নিরাপত্তা বলয়!
মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে নতুন অধ্যায়


বিরোধী দল মানেই কি রাজনৈতিক দমন-পীড়ন?
নির্বাচনে হারা নয়, বরং বিরোধী দল হওয়াটাই এদেশে সবচেয়ে ভয়ের!

দুই দশকের সংগ্রাম; এবার 'কঠিন' লড়াইয়ের মুখোমুখি জামায়াত
এবার যোগ্যতার পরীক্ষায় জামায়াত!




সেনাবাহিনীর নতুন ব্যাটালিয়ন: নাম নয়, স্বাধীন চেতনাকেই ভয় ভারতের!
ভারত শিবিরে পুরোনো আতঙ্ক!

মুকুটহীন এক সংসদীয় অভিভাবকের বিদায়
সদ্য প্রয়াত সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার ছিলেন বাংলাদেশের সংসদীয় গণতন্ত্রের এক অনুকরণীয় অভিভাবক। ছয়বারের এই সংসদ সদস্য রাজনৈতিক মতপার্থক্যের ঊর্ধ্বে উঠে সততা, নিরপেক্ষতা ও শালীনতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। কঠিন সময়ে নির্যাতিত সহকর্মীদের পাশে দাঁড়ানো এই নির্লোভ আইনজীবী ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিলের অন্যতম কারিগর ইতিহাসের পাতায় চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন।


সৌদিকে সূরা আলে ইমরানের ১৩ নম্বর আয়াত শুনিয়ে কী বার্তা দিলো ইরান?
সামাজিক মাধ্যমে নানা ব্যাখ্যা



সত্যিই কি ফিরতে চায় আওয়ামী লীগ?
পৌনে শতাব্দী আগে, ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন পুরান ঢাকার রোজ গার্ডেনে যে দলটির জন্ম হয়েছিল, সাতাত্তর বছর পেরিয়ে আজ সেই আওয়ামী লীগ নিজের ইতিহাসের সবচেয়ে অন্ধকার ও বিপর্যস্ত অধ্যায় অতিক্রম করছে। ২০২৪ সালের আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পতন এবং ভারতে চলে যাওয়ার মধ্য দিয়ে দলটির টানা প্রায় ১৬ বছরের শাসনের অবসান ঘটে। সেই পতনের অভিঘাত এতটাই তীব্র ছিল যে, মাঠের রাজনীতি থেকে শুরু করে রাষ্ট্রযন্ত্রের বিভিন্ন স্তর পর্যন্ত দলটির গোটা চেইন অব কমান্ড তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে।

একচোখা সাংবাদিকতা বনাম জামায়াতের দায়িত্বশীল রাজনীতি: একটি বস্তুনিষ্ঠ পর্যালোচনা
বাস্তবিক অর্থে রাজনীতি কোনো সেমিনার কক্ষের তাত্ত্বিক আলাপের জায়গা নয়। এখানে রাজনৈতিক নেতারা জনমানুষের ক্ষোভ এবং সম্ভাব্য জাতীয় বিপর্যয়ের গভীরতা বোঝাতে কড়া শব্দ ব্যবহার করেন। জামায়াত আমীর ডা. শফিকুর রহমান গৃহযুদ্ধের আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেননি। বরং দেশের বৃহত্তর স্থিতিশীলতার স্বার্থে তাঁর দল যে চরম ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছে, সেটাই মনে করিয়ে দিয়েছেন।




ভারতীয় হাইকমিশনারের কাছে সাংবাদিকের আবেদন: গণমাধ্যম প্রশ্নের মুখে
সমপ্রতি বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের নতুন হাইকমিশনারের বাংলাদেশে আগমনের সময় এক সাংবাদিকের বক্তব্য সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অর্থাৎ, বিষয়টি শুধু “ব্যাপক আলোচনা হয়েছে কিনা” সেই প্রশ্নে সীমাবদ্ধ নয়...




যা ছিলো ‘অগণতান্ত্রিক’, ক্ষমতায় বসে তা এখন অম্ল-মধুর!
বিরোধী আসনে উন্নয়ন তদারকিতে নারী এমপিরা








ধর্ষক-খুনিদের জন্য কি নিরাপদ আশ্রয় হয়ে উঠছে বাংলাদেশ?
আইনের দুর্বলতা-রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় বাড়ছে নৃশংসতা


সিলেকটিভ নয়, ন্যায়বিচারই হোক মূল লক্ষ্য: বাংলাদেশের গণহত্যা প্রশ্নে দায় এড়ানোর সুযোগ নেই
“সিলেকটিভ প্রসিকিউশন” নিয়ে যে সমালোচনা করা হচ্ছে, তা বাংলাদেশের নৃশংস গণহত্যা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বাস্তবতাকে উপেক্ষা করছে—বিশেষ করে ২০২৪ সালের ঘটনার প্রেক্ষিতে। এতে বলা হয়েছে, এসব অভিযোগকে রাজনৈতিকভাবে “টার্গেটেড বিচার” বলা ঠিক নয়, কারণ বিভিন্ন সহিংসতা ও অপরাধের বিষয়ে গণমাধ্যম ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণে উল্লেখযোগ্য তথ্য ও অভিযোগ রয়েছে, যেগুলোর বিচার হওয়া প্রয়োজন। অপরাধ যারই হোক না কেন, সবার ক্ষেত্রে সমানভাবে আইন প্রয়োগ করতে হবে। তাই চলমান বিচারপ্রক্রিয়াকে “নির্বাচিত” বলা বিচারপ্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। বাংলাদেশের বিশ্বাসযোগ্যতা নির্ভর করবে একটি পূর্ণাঙ্গ, নিরপেক্ষ ও প্রমাণভিত্তিক বিচার ব্যবস্থার ওপর, যেখানে ভুক্তভোগীরা ন্যায়বিচার পাবে।

পরিবর্তিত ভূরাজনীতিতে বাংলাদেশ: ভারসাম্যের কূটনীতি নাকি নতুন পথ?
বাংলাদেশের উচিত দীর্ঘমেয়াদি, প্রাতিষ্ঠানিক ও ঐকমত্যভিত্তিক পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণ করা, যেখানে শুধু প্রতিক্রিয়া নয় বরং নিজের কৌশল নিজেই তৈরি করে বড় শক্তিগুলোর মাঝেও নিজের জায়গা তৈরি করে নেওয়া সম্ভব হবে। ভুল কৌশল বড় ঝুঁকি ডেকে আনতে পারে, সঠিক ভারসাম্য নতুন সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে।

পদ্মা ব্যারেজ খুলে দিতে পারে উন্নয়নের নতুন দিগন্ত
বাংলার সভ্যতা গড়ে উঠেছে নদীকে ঘিরে। পদ্মা, মেঘনা, যমুনা—এই নদীগুলো শুধু জলধারা নয়; এগুলো বাংলাদেশের অর্থনীতি, কৃষি, সংস্কৃতি ও মানুষের জীবনচক্রের অংশ। কিন্তু সেই নদীমাতৃক দেশ আজ নদী হারানোর বেদনায় কাতর। কোথাও নদী শুকিয়ে যাচ্ছে, কোথাও নাব্যতা কমছে, কোথাও লবণাক্ততা গ্রাস করছে জনপদ।





শুভেন্দু অধিকারী: সম্প্রীতির বাংলায় 'বিভেদের' নতুন মুখ
মুসলিম-বিদ্বেষী শুভেন্দুর আমলনামা


গঙ্গার কূলে গেরুয়া ঢেউ: পশ্চিমবঙ্গের পটপরিবর্তন ও বিপন্ন ধর্মনিরপেক্ষতা
মাঠের ধুলো ওড়া পথে যখন সূর্যটা পশ্চিমে হেলে পড়ে, তখন বাংলার আকাশে এক অদ্ভুত স্তব্ধতা নামে। কিন্তু এবারের স্তব্ধতা কোনো শান্তির বার্তা নয়, বরং এক অজানা আশঙ্কার। পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশিত হয়েছে। যে গঙ্গাপারে একসময় লাল ঝাণ্ডার জয়ধ্বনি শোনা যেত, যেখানে ‘মা-মাটি-মানুষ’-এর স্লোগানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ১৫ বছর রাজত্ব করেছেন, সেখানে আজ উড়ছে গেরুয়া পতাকা।

পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন: বাংলাদেশের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ?
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ গত ২৩ ও ২৯ এপ্রিল দুই দফায় শেষ হয়েছে। আর ফলাফল ঘোষণার প্রাক্কালে রাজনৈতিক উত্তেজনাকে ঘিরে ‘অবৈধ অভিবাসী’ ইস্যু আবারও কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। নির্বাচনী প্রচারণা, ভোটার তালিকা হালনাগাদ এবং রাজনৈতিক বক্তব্য —সব মিলিয়ে এই প্রশ্নটি এমনভাবে আলোচনায় এসেছে, যা শুধু ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং বাংলাদেশের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত বহন করছে।

জামায়াত ও বিএনপির রাজনৈতিক কৌশল
বাংলাদেশের জনগণ এবং বিশেষ করে রাজনৈতিক মহল জামায়াতে ইসলামীকে কমিউনিস্ট পার্টির মতো একটি ক্যাডারভিত্তিক সুসংগঠিত রাজনৈতিক দল হিসেবে বিবেচনা করে। তারা দলীয় আদর্শে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নীতিবাদী কর্মীবাহিনী দ্বারা সজ্জিত ও সমৃদ্ধ।

বিএনপির রাজনীতি ও মুক্তিযুদ্ধ কার্ডের ব্যবচ্ছেদ
মুক্তিযুদ্ধের চেতনা কোনো দলের কুক্ষিগত সম্পত্তি নয়, বরং এটি এক অবিভাজ্য ও চিরন্তন আদর্শ, যা সকল প্রকার সংকীর্ণ ও সুবিধাবাদী রাজনীতির ঊর্ধ্বে

বাংলাদেশে আবার ‘জঙ্গিবাদ’ তত্ত্বের ভূত জাগাচ্ছে কারা?
বাংলাদেশের আকাশটা আজ থমথমে। মেঘের আড়ালে যেন কোনো এক অশুভ ছায়া ঘাপটি মেরে আছে। ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইলের এই বদ্বীপ যখন নতুন করে নিশ্বাস নিতে শুরু করেছে, ঠিক তখনই সীমান্তের ওপারে শুরু হয়েছে এক গভীর কুটিল চাল। মঞ্চস্থ হতে যাচ্ছে সেই পুরোনো এবং অতি ব্যবহৃত ‘জঙ্গিবাদ’ নাটক। এই নাটকের চিত্রনাট্য তৈরি হয়েছে দিল্লির নর্থ ব্লকে, আর নির্দেশনায় রয়েছে ভারতের কুখ্যাত গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’। লক্ষ্য এবার অত্যন্ত পরিষ্কার ও সুদূরপ্রসারী _বাংলাদেশের গর্বিত বিমানবাহিনীকে পঙ্গু করে সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত হানা। তাছাড়া বাংলাদেশে আবারও একটি পুতুল সরকারকে ক্ষমতায় বসানোর জন্য প্রধানমন্ত্রীকেও টার্গেট করেছে এই চক্র।

সাদিক কায়েম: ছাত্ররাজনীতির 'কাল্ট ফিগার' থেকে জাতীয় মঞ্চে
ডাকসু ভিপি জনাব সাদিক কায়েম যেভাবে বাংলাদেশের ছাত্ররাজনীতির এক ‘কাল্ট ফিগার’ হয়ে উঠেছেন, তা উপমহাদেশের ইতিহাসেই একটি বিরল দৃষ্টান্ত। তিনিই সম্ভবত প্রথম কোনো ডাকসু ভিপি, যিনি একটি কোর ইসলামী ছাত্রসংগঠন থেকে জয়ী হয়ে আসার রেকর্ড গড়েছেন। ডাকসুর প্রায় এক শতাব্দীর ইতিহাসে এমনটি দ্বিতীয়বার ঘটেছে বলে মনে হয় না।

পশ্চিমবঙ্গের ভোটযুদ্ধ: সীমান্তে অস্থিরতার মেঘ ও বাংলাদেশের শঙ্কা
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে এবার যেন বারুদের গন্ধ। দ্বিতীয় দফার ভোট মিটেছে। গ্রাম থেকে শহর—সবখানেই মানুষের ঢল। ভোট পড়ার হার চমকে দেওয়ার মতো। কিন্তু এই ভোটের আমেজ যতটা না উৎসবের, তার চেয়ে বেশি যেন এক যুদ্ধের সংকেত। তৃণমূল আর বিজেপি—কেউ কাউকে এক চুল জমি ছাড়তে রাজি নয়। মাঠের লড়াই এখন ছড়িয়ে পড়েছে পাড়া-মহল্লায়। বিজেপি এবার বাংলা দখলের জন্য তাদের সর্বশক্তি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছে। ওদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে মরিয়া। নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। বুথে বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনীর অতিসক্রিয়তা নিয়ে তৃণমূল বারবার অভিযোগ তুলছে।

মেঘালয়ের জলবিদ্যুৎ বাঁধ: বাংলাদেশের জন্য নতুন ‘মরণফাঁদ’
গুগল ম্যাপে বাংলাদেশ ও ভারত সীমান্তের দিকে তাকালে একটি দৃশ্য বিশেষ মনোযোগ কাড়ে। বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব সীমান্তের ঠিক ওপারে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের খাসিয়া পাহাড়ে প্রায় ১০০ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি গাঢ় সবুজ অঞ্চল রয়েছে। এটি মূলত ঘন বনাঞ্চলে ঘেরা একটি পাহাড়ি ভূখণ্ড। পৃথিবীর অন্যতম আর্দ্র স্থান চেরাপুঞ্জি ও মৌসিনরাম সংরক্ষিত বনাঞ্চলও এই এলাকার অন্তর্ভুক্ত।

জঙ্গিবাদ ‘নেই’ বলার রাজনীতি: বাস্তবতা না আত্মপ্রবঞ্চনা?
শেখ হাসিনার বিরোধিতা করতে গিয়ে অনেকে বলেন, দেশে জঙ্গিবাদ বলে কিছু নেই। উগ্রবাদের অভিযোগে শেখ হাসিনার আমলে যেসব ধরপাকড় হয়েছিল, সেগুলোকে ‘নাটক’ বলা হয়। তবে প্রকৃত সত্য হচ্ছে, দেশে জঙ্গি এবং উগ্রবাদী—দুটি শক্তিই আছে। জঙ্গি নেই বলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আজ যে দাবি করেছেন, তা সঠিক নয়।

পার্বত্য চট্টগ্রামে আদিবাসী দাবি ও আন্তর্জাতিক প্ৰেক্ষাপট
পাবর্ত্য চট্টগ্রাম বাংলাদেশের ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা ও জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত সংবেদনশীল অঞ্চল। গত কিছু বছর ধরে এই অঞ্চলকে কেন্দ্র করে একটি বিশেষ মহল 'আদিবাসী' শব্দটিকে রাজনীতির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। বিশেষ করে ২০০৭ সালে জাতিসংঘ কর্তৃক 'আদিবাসী অধিকার বিষয়ক ঘোষণাপত্র” (ইউএনডিআরআইপি) গ্রহণের পর থেকে এই তৎপরতা আরো বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু গভীরভাবে বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বাংলাদেশে এই দাবি কেবল তাত্ত্বিকভাবে ভুল নয়, বরং এটি একটি সুপরিকল্পিত ভূরাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের অংশ। এসব বিষয়ে সচেতনতার অংশ হিসেবে বাংলাদেশ সরকার আইএলও কনভেনশন ১০৭ গ্রহণ করলেও, ইউএনডিআরআইপি এবং আইএলও কনভেনশন ১৬৯ গ্রহণ করেনি। কেন গ্রহণ করেনি, তার পেছনে রয়েছে রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও ঐতিহাসিক সত্যের বলিষ্ঠ ভিত্তি।

ইরান যুদ্ধ এবং বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির দেউলিয়াত্ব
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরান আক্রমণ পুরো বিশ্বকে কাঁপিয়ে দিয়েছে। চলমান কূটনৈতিক আলোচনার মধ্যেই ২৮ ফেব্রুয়ারির সেই আকস্মিক বিমান হামলা বিশ্বজুড়ে স্তম্ভিত প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে, যা একদিকে যেমন নিন্দার ঝড় তুলেছে, অন্যদিকে অনেক দেশের কাছ থেকে পেয়েছে সতর্ক প্রতিক্রিয়া। বাংলাদেশের প্রতিক্রিয়াটি ছিল অত্যন্ত মেপে মেপে শব্দ চয়ন করা; যেখানে ইরানি পাল্টা হামলায় উপসাগরীয় দেশগুলোর সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের নিন্দা জানানো হলেও, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল কর্তৃক ইরানের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে। ইরান যে এখানে প্রাথমিক ভিকটিম বা আক্রান্ত পক্ষ, সেই উল্লেখটি অনুপস্থিত ছিল। এটি কেবল আমাদের অর্থনৈতিক দুর্বলতাই নয়, বরং বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির এক গভীর কাঠামোগত দুর্বলতাকে উন্মোচিত করেছে। এই যুদ্ধ সেই দুর্বলতা তৈরি করেনি; এটি কেবল তাকে প্রকাশ করে দিয়েছে।

Iran war and the bankruptcy of Bangladesh foreign policy
The US–Israel war on Iran has shaken the whole world. The surprising air attacks on February 28, amid ongoing diplomatic negotiations, came as a shocking development, drawing condemnations and muted responses from around the world. Bangladesh’s reactions to the war, crafted in measured words, condemned violations of sovereignty of the Gulf states by Iranian counterstrikes, but not Iran’s sovereignty violated by the US and Israel. The reference to Iran as the primary victim was missing, exposing not just economic vulnerability, which is widely acknowledged, but a deeper, structural weakness in Bangladesh’s foreign policy. The war has not created this weakness; it has simply revealed it.

মিত্রকে নির্মূলের ডাক: ফখরুলের কণ্ঠে কার প্রতিধ্বনি?
উত্তরের হাওয়ায় এখন বিচিত্র সব গন্ধ। রাজনীতির ময়দানে যারা দীর্ঘকাল কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে পথ চলেছে, তাদের ভেতরে কি তবে ফাটল ধরল? নাকি এই ফাটল স্রেফ কথার কথা? বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সম্প্রতি জামায়াতকে নিয়ে যে মন্তব্য করেছেন, তা নিয়ে এখন সরগরম চায়ের টেবিল থেকে শুরু করে রাজনৈতিক অন্দরমহল। তিনি বলেছেন, জামায়াতকে রাজনৈতিকভাবে নির্মূলের চেষ্টা করা উচিত। এই একটি বাক্যই যেন অনেক হিসাব-নিকাশ ওলটপালট করে দিয়েছে।

তরুণদের লড়াই: কাঠমান্ডুর সাফল্য, ঢাকায় কেন অসমাপ্ত গল্প!
গ্রামের মেঠোপথ থেকে শহরের রাজপথ সবখানেই এখন এক অস্থির সময়ের প্রতিধ্বনি। নেপালের পাহাড়ি খাঁজে যে তারুণ্যের জয়গান শোনা যাচ্ছে, আমাদের এই ভাটি অঞ্চলের সমতলে কেন সেই সুরটা ম্রিয়মাণ?

সংসদে কতটা প্রভাব ফেলবেন ‘শহীদ প্রতিনিধি’ জাবিরের মা?
আগস্টের সেই বিকেলটা ছিল অন্যরকম। একদিকে বাতাসে বারুদের গন্ধ। অন্যদিকে, মানুষের গলায় বিজয়ের স্লোগান। দীর্ঘ লড়াই আর ত্যাগের পর স্বৈরাচারী হাসিনা শাসনের অবসান হয়েছে। এই খবর ছড়িয়ে পড়েছে চর্তুদিকে। ঢাকার উত্তরার জসীমউদ্দীন রোডে তখন বাঁধভাঙা মানুষের মিছিল।

LPG Price Shock: When the Market Decides What Kitchens Can Afford
On April 2, a 12-kg LPG cylinder cost Tk 1,728. By April 19, the same cylinder was Tk 1,940. That is a Tk 599 increase in 18 days. For the 80% of LPG users who rely on it to cook daily meals, this is not market volatility. This is policy failure. The crisis behind the crisis

মুঘলরা আমাদের জন্য কখন কী করেছে?
মুঘলরা ছিল তাদের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী। ২১ এপ্রিল পানিপথের যুদ্ধের ঠিক ৫০০ বছর পূর্ণ হচ্ছে, যখন তৈমুর লঙ এবং চেঙ্গিস খানের মধ্য এশীয় বংশধর বাবর (তাই 'মুঘল', যা 'মঙ্গোল' থেকে এসেছে) দিল্লির শেষ সুলতানকে পরাজিত করেছিলেন। তিনি যে সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, সেটি তার শিখরে ছিল বিশ্বের অন্যতম ধনী এবং শক্তিশালী। এর শাসকরা ভারতীয় রাজকীয় প্রথা গ্রহণ করেছিলেন, স্থানীয়ভাবে বিবাহ করেছিলেন এবং কার্যত ভারতীয় হয়ে উঠেছিলেন (ব্রিটিশদের মতো নয়)। তাঁদের অর্জনগুলো ভারতীয় অর্জন।

দুর্বল ব্যাংকের ‘পাত্র চাই’ ও পুরোনো নওশার আগমন: বিরূপাক্ষ পালের কলাম
মধ্যযুগে তুরস্কের এক বাদশাহ নিজের চেহারাসুরত নিয়ে খুব অহংকারে ভুগতেন। তিনি তাঁর সভাসদ মোল্লা নাসিরুদ্দিনকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘আমার এই সুন্দর দেহ নিয়ে আমি যদি ক্রীতদাসের বাজারেও দাঁড়াই, তাহলে বলো তো হে আমার মূল্য কত হবে?’


জ্বালানি ও সার সংকটে খাদ্য নিরাপত্তায় শঙ্কা
ইরানের বিরুদ্ধে আমেরিকা ও ইসরায়েলের যুদ্ধ দীর্ঘতর হচ্ছে। এর প্রভাব ছড়িয়ে পড়েছে উপসাগরীয় দেশগুলোতে। এতে বিপর্যস্ত হচ্ছে জনজীবন। বিধ্বস্ত হচ্ছে অর্থনীতি।

পোপ বিশ্বকে দেখিয়েছেন কীভাবে ট্রাম্পের মুখোমুখি দাঁড়াতে হয়
‘ভালো মানুষেরা' সাদা টুপি পরেন। মাঝে মাঝে আমরা তাই দেখতে পাই। আমি যে ‘ভালো মানুষটির’ কথা বলছি, তিনি হলেন মার্কিন বংশোদ্ভূত ক্যাথলিক চার্চের প্রধান পোপ লিও চতুর্দশ। পোপ লিওর অনুসারী বিশাল; ১৪০ কোটি। তিনি যে ‘সাদা টুপি’ পরেন,

BCB’s cycle of political interference and dysfunction
Failure to build strong institutions continues to undermine many sectors in Bangladesh, preventing them from achieving

Repealing NHRC ordinances raises questions
Five now-former members of the National Human Rights Commission (NHRC), in an open letter, recently expressed

Bangladesh’s looming energy crisis and the choices ahead
Bangladesh is facing an acute energy challenge intensified by Middle East geopolitical tensions. Rapid industrialisation

A promising scheme, but can it avoid past pitfalls?
We welcome the launch of the Farmers’ Card programme by the government, which is a timely and encouraging step

Why is BNP reneging on its own commitments to judicial independence?
In discussions on legal and constitutional reforms in Bangladesh, the independence of the judiciary has long been a

অর্থনীতি কি গভীর সংকটে পড়তে যাচ্ছে
বড় চ্যালেঞ্জের মধ্যেই নতুন সরকার অর্থনীতির দায়িত্ব নিয়েছে। টানা তিন বছর ধরে মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি কমেছে।


সংস্কারের নামে ‘রিওয়ার্ড’, লুটেরাদের হাতেই ফিরছে ব্যাংক নিয়ন্ত্রণ!
বাংলাদেশে সংস্কারের আয়ু খুবই স্বল্পস্থায়ী। অন্তর্বর্তী সরকার যখন দেশের ভাঙাচোরা ব্যাংক খাত পরিষ্কারের উদ্যোগ নেয়,

ধর্মের নামে মানুষ হত্যা যেভাবে বিএনপির জন্য সংকট তৈরি করছে
মাজার ও বাউলদের ব্যাপারে একটি গোষ্ঠীর রাগ-ক্ষোভ এতটাই তীব্র যে, তারা মনে করে সমস্ত মাজার গুঁড়িয়ে দেওয়া উচিত। আর বাউল-ফকিরদের চুল ও বেশভুষার প্রতি তাদের দৃষ্টিভঙ্গি হলো, এরা ইসলামকে বিকৃত করছে। অতএব এদের হত্যা করা জায়েজ।

মতামত: বিএনপি কেন এক টার্মের বেশি ক্ষমতায় থাকতে পারে না
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের অন্যতম কৌতূহলোদ্দীপক এবং জটিল অধ্যায় হলো বাংলাদেশ জাতীয়তা-বাদী দলের (বিএনপি) রাজনৈতিক পরিক্রমা। দলটির বিশাল জনসমর্থন এবং আপামর জনসাধারণের মধ্যে তাদের ভোটের রাজনীতি নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। দীর্ঘ রাজনৈতিক চড়াই-উতরাই ও তীব্র গণ-আন্দোলনের পর ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে বিএনপি বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে পুনরায় রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় এসেছে। কিন্তু ক্ষমতায় আরোহণের এই আনন্দঘন মুহূর্তেই একটি মৌলিক প্রশ্ন রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সমাজতাত্ত্বিকদের ভাবিয়ে তুলছে কেন এই বিপুল জনভিত্তি থাকা সত্ত্বেও দলটি ঐতিহাসিকভাবে এক মেয়াদের বেশি ধারাবাহিকভাবে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারে না? প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলে কেবল নির্বাচনী রাজনীতির হিসাব মেলালে চলবে না, বরং দলটির আদর্শিক, সাংস্কৃতিক, বুদ্ধিবৃত্তিক এবং সাংগঠনিক কাঠামোর গভীরে দৃষ্টিপাত করতে হবে।

আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ, জামায়াতের বিষয়ে কী অবস্থান?
বাংলাদেশে রাজনৈতিক দলগুলো নিষিদ্ধ হওয়ার ইতিহাস বেশ পুরোনো। মুক্তিযুদ্ধের প্রারম্ভিককালে আওয়ামী লীগ, তার পরবর্তী সময়ে জামায়াতে ইসলামীও নিষিদ্ধ হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে দলগুলো রাজনীতিতে ফিরে আসে। চব্বিশের আন্দোলনে যখন আওয়ামী লীগ সরকারের পতন অবশ্যম্ভাবী ঠিক তার কয়েক ঘণ্টা আগে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে জামায়াতে ইসলামী ও তাঁদের ছাত্রসংগঠনকে ‘নিষিদ্ধ ঘোষণা’ করা হয়।


অধ্যাদেশ: সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে সবকিছু করা নয়
সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ যাচাইয়ে গঠিত ১৪ সদস্যের সংসদীয় কমিটিতে কেবল বিএনপি ও জামায়াতের প্রতিনিধিত্ব থাকায় এর নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কমিটি ৯৮টি অধ্যাদেশ গ্রহণ করলেও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, গুম প্রতিরোধ, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং মানবাধিকার সংক্রান্ত ২০টি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ রহিত বা স্থগিত করার সুপারিশ করেছে। বিশেষ করে, সুপ্রিম কোর্টে বিচারক নিয়োগে ‘সুপ্রিম জুডিশিয়াল অ্যাপয়েন্টমেন্ট কাউন্সিল’ গঠন এবং পৃথক সচিবালয় সংক্রান্ত অধ্যাদেশ বাতিলের সিদ্ধান্তকে বিচার বিভাগকে পুনরায় নির্বাহী বিভাগের অধীনে রাখার প্রয়াস হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। এছাড়া, গুম প্রতিরোধ ও দুদকের ক্ষমতা বৃদ্ধির আইনগুলো পাসের পরিবর্তে সংশোধনের নামে ঝুলিয়ে রাখায় সরকারের সদিচ্ছা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। সমালোচকদের মতে, দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে গণতান্ত্রিক সংস্কারের এই সুযোগ হাতছাড়া করলে তা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা হবে।

The State and the Deep State in Bangladesh
Even if we develop our state institutions, there is no guarantee that a ‘Legal Autocrat’ or ‘Constitutional Autocrat’ will not appear in future. The stronger the State, the stronger a Constitutional Autocrat is and the more it may exercise power to prey the public. State becomes a Constitutional handle to a Constitutional Dictator or Fascist.

স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে কী বলেছে বিএনপি ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগ
বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের ইতিহাসে ‘স্বাধীনতার ঘোষক’ প্রশ্নটি দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। স্বাধীনতার ৫০ বছর পরও বিষয়টি নিয়ে প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর অবস্থান ভিন্নমুখী, যা সময় সময় নতুন করে আলোচনায় উঠে আসে।
