শিশুবান্ধব নগরী প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা রাখতে হবে: সেলিম উদ্দিন

দেশ ও জাতির উন্নত ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে শিশুদের সময়োপযোগী ও যোগ্যতর হিসেবে গড়ে তোলার কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। তিনি বলেন, শিশুবান্ধব নগরী প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা পালন করতে হবে।
সোমবার (২৫ মে) রাজধানীর খিলক্ষেত বাজারে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী উত্তরের খিলক্ষেত থানা পশ্চিম আয়োজিত পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে প্রান্তিক শিশুদের মধ্যে নতুন পোশাক বিতরণকালে এসব কথা বলেন সেলিম উদ্দিন।
তিনি বলেন, যুব সমাজের হাত ধরেই জাতীয় জীবনে এসেছে বড় বড় অর্জন ও সাফল্য। ‘২৪-এর জুলাই বিপ্লবে সম্মুখ সারিতে থেকে যুব সমাজই বিজয় ছিনিয়ে এনেছে। এ যুব সমাজেরই বীজতলা হচ্ছে আজকের শিশুরা। তাই আগামী দিনের নেতৃত্বের শূণ্যতা দূর করার জন্য শিশুদেরকেই যোগ্যতর নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। এজন্য দরকার শিশুবান্ধব রাষ্ট্র ও সরকার।
সেলিম উদ্দিন বলেন, নগরবাসী জামায়াতকে ভোট দিয়ে নগর প্রশাসনের দায়িত্ব দিলে ডিএনসিসিকে শিশুবান্ধব আদর্শ নগরী হিসেবে গড়ে তোলা হবে। তাদের খেলাধুলা, শরীর চর্চা ও সুস্থ্যধারার বিনোদনের ব্যবস্থা করবে নগর প্রশাসন। শিশুবান্ধব নগরী প্রতিষ্ঠায় নিজ নিজ অবস্থান থেকে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করতে হবে।
তিনি বলেন, দেশে শিশুদের জন্য শতভাগ শিক্ষা নিশ্চিত করা যায়নি, বরং শিশুশ্রমের মাধ্যমে শিশুদের মেধা ও মনন বিকাশে বড় ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হচ্ছে। দারিদ্রতার কারণে শিশুদের বড় একটা অংশ বিদ্যালয়েই পা রাখতে পারছে না। এমনকি অনেকেই প্রাথমিকে বা মাঝ পথেই ঝরে পড়ছে। পথ শিশুদের জন্য রাষ্ট্রীয় কোনো পরিকল্পনা না থাকায় তারা বিভিন্ন অপরাধ প্রবণতায় জড়িয়ে পড়বে। তাই এসব অনিশ্চয়তা থেকে শিশুদের রক্ষা করতে হলে রাষ্ট্রকে তাদের জন্য স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে।







