পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার যুবদল নেতা মনিরুল হক মৃধা হত্যা মামলার দীর্ঘ ১৩ বছর পর সিআইডি অভিযোগপত্র দাখিল করেছে। অভিযোগের চার্জ গঠনের শুনানি শেষে পটুয়াখালীর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। এর আগে পুলিশসহ আরও দুটি সংস্থা মামলার তদন্ত করলেও সন্তোষজনক প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেনি।
সিআইডির তদন্তে হত্যাকাণ্ডে বাউফল উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুল মোতালেব হাওলাদার, তার ছেলে জেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও বগা ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান মাহমুদ হাসান, মোতালেবের ভাগনে ইউপি সদস্য সুমনসহ ১৯ জনের সংশ্লিষ্টতার বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) পটুয়াখালীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রেনেসাঁ খান চার্জশিট আমলে নিয়ে ১৯ আসামির বিরুদ্ধে বিচারকার্য শুরুর আদেশ দেন। পাশাপাশি, পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়।
অভিযোগপত্রে সিআইডি উল্লেখ করে, ২০১৩ সালে রমজান মাসে বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য শহিদুল আলম তালুকদারের পক্ষে ঈদের শুভেচ্ছা পোস্টার লাগানোকে কেন্দ্র করে বগা ইউনিয়নের টাওয়ার সড়কে আসামিরা হামলা চালায়। এতে বগা ইউপির ৬ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি মনিরুল হক মৃধা গুরুতর আহত হন। পরে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। হামলায় আরও আহত হন নিহতের শ্যালক জাকির হোসেন।
মামলার প্রধান সাক্ষী জাকির হোসেন জানান, প্রকাশ্যে একজনকে পিটিয়ে হত্যা করার পরও রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে প্রায় ১০ বছর মামলার সঠিক তদন্ত হয়নি। তবে ১৩ বছর পর হলেও বিচারকার্য শুরুর বিষয়টি অত্যন্ত ইতিবাচক। সব হত্যাকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত হলেই তাদের পরিবার ন্যায়বিচার পাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তারে পুলিশের কার্যকর ভূমিকা কামনা করেন।
বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম জানান, দ্রুত সময়ের মধ্যেই পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হবে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে দেওয়া একটি বক্তব্য প্রত্যাহারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলামকে আইনি নোটিস পাঠানো হয়েছে। নোটিস পাওয়ার ১০ দিনের মধ্যে এ বক্তব্য প্রত্যাহার করতে বলা হয়েছে।
হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাগেজ ও ট্রলি নিয়ে বিশৃঙ্খলা এবং সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে করা মামলায় কারামুক্ত হয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও জামায়াত নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান। সোমবার আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে তার জামিন বহাল থাকার পর আজ মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকাল ১০টার দিকে কেরানীগঞ্জে অবস্থিত ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি।
বিমানবন্দরে হট্টগোলের ঘটনায় করা মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করেছে রাষ্ট্রপক্ষ।