
Search Results
5 articles found


ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি বরাবরই দেশটির জাতীয় রাজনীতির গতিপথ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। একসময় টানা তিন দশকের বেশি সময় বামফ্রন্টের অপ্রতিদ্বন্দ্বী আধিপত্য ছিল রাজ্যটিতে। পরে ‘পরিবর্তন’-এর ডাক দিয়ে ক্ষমতায় আসে তৃণমূল কংগ্রেস। আর এখন সেই পশ্চিমবঙ্গেই দেখা যাচ্ছে নতুন এক বাস্তবতা, গেরুয়া শক্তির উত্থান।

মাঠের ধুলো ওড়া পথে যখন সূর্যটা পশ্চিমে হেলে পড়ে, তখন বাংলার আকাশে এক অদ্ভুত স্তব্ধতা নামে। কিন্তু এবারের স্তব্ধতা কোনো শান্তির বার্তা নয়, বরং এক অজানা আশঙ্কার। পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশিত হয়েছে। যে গঙ্গাপারে একসময় লাল ঝাণ্ডার জয়ধ্বনি শোনা যেত, যেখানে ‘মা-মাটি-মানুষ’-এর স্লোগানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ১৫ বছর রাজত্ব করেছেন, সেখানে আজ উড়ছে গেরুয়া পতাকা।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনে রেজিনগর ও নওদা আসন থেকে জিততে যাচ্ছেন হুমায়ুন কবির। গত বছর মুর্শিদাবাদে বাবরি মসজিদের আদলে একটি মসজিদ তৈরির ঘোষণা দিয়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেন এ নেতা। এর জেরে তাকে তৃণমূল কংগ্রেস থেকে বহিষ্কার করেন মমতা ব্যানার্জি।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ গত ২৩ ও ২৯ এপ্রিল দুই দফায় শেষ হয়েছে। আর ফলাফল ঘোষণার প্রাক্কালে রাজনৈতিক উত্তেজনাকে ঘিরে ‘অবৈধ অভিবাসী’ ইস্যু আবারও কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। নির্বাচনী প্রচারণা, ভোটার তালিকা হালনাগাদ এবং রাজনৈতিক বক্তব্য —সব মিলিয়ে এই প্রশ্নটি এমনভাবে আলোচনায় এসেছে, যা শুধু ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং বাংলাদেশের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত বহন করছে।